Mahua Moitra: সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা মহুয়ার, ইমেল করলে ভেবে দেখবেন প্রধান বিচারপতি
Mahua Moitra at Supreme Court: এদিন, মহুয়ার পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি, প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে আবেদন করেছিলেন যাতে এই মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার করা হয়। কিন্তু, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, মামলাটি জরুরি শুনানির জন্য নথিভুক্ত নাও হতে পারে। তবে, মহুয়াকে পুরোপুরি নিরাস করেনি আদালত।
নয়া দিল্লি: তাঁকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর), সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার জরুরি শুনানির আবেদন করেছিলেন মহুয়া। কিন্তু, এদিন আদালত সেই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। এদিন, মহুয়ার পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি, প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে আবেদন করেছিলেন যাতে এই মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার করা হয়। কিন্তু, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, মামলাটি জরুরি শুনানির জন্য নথিভুক্ত নাও হতে পারে। তবে, মহুয়াকে পুরোপুরি নিরাস করেনি আদালত। অভিষেক মনু সিংভিকে এই বিষয়ে একটি ইমেল করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। তারপর তিনি বিষয়টিভেবে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
এদিন প্রথমে, এই মামলার জরুরি শুনানির জন্য বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কওলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন অভিশেক মনু সিংভি। বিচারপতি কওল এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশের জন্য আবেদনটি প্রদান বিচারপতির এজলাসে উল্লেখ করার নির্দেশ দেন। ১৫ ডিসেম্বর থেকে শীতকালীন ছুটির জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। তার আগেই যাতে এই মামলার শুনানি হয়, তার জন্যই এদিন এই মামলার জরুরি শুনানি চেয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র।
মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ও অন্য দামী উপহার নিয়ে, সংসদে ওই ব্যবসায়ীর স্বার্থে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল। এই বিষয়ে সংসদের অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দাস। ওম বিড়লা সংসদীয় এথিক্স কমিটিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ৮ ডিসেম্বর লোকসভায় এথিক্স কমিটি জানায়, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর সংসদীয় ইমেইল অ্যাকাউন্টের বিশদ তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন মহুয়া। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারত। তাই, তাঁকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছিল কমিটি। এই রিপোর্ট গ্রহণ করার পর, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মহুয়া মৈত্রকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং ধ্বণিভোটে তা গৃহীত হয়। মঙ্গলবার জানা গিয়েছিল, সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পর, তাঁকে সরকারি বাংলো ছাড়ার জন্যও নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে বাংলো ছাড়তে হবে।