ভোটে দাঁড়াতে চাইলে দিতে হবে ১১ হাজার! ফরমান কংগ্রেসের

Congress : যাঁরা যাঁরা উত্তর প্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, তাঁদের প্রত্যেককে দলীয় তহবিলে নগদ ১১ হাজার টাকা করে দিতে হবে।

ভোটে দাঁড়াতে চাইলে দিতে হবে ১১ হাজার! ফরমান কংগ্রেসের
ফাইল ছবি।

লখনউ : ভোটের প্রচার মানেই প্রতিটি দলের কাছে বড় অঙ্কের টাকার ধাক্কা। কিন্তু তাই বলে কংগ্রেসের এমন কীর্তিও শুনতে হবে! কংগ্রেসের ভাঁড়ার যে একেবারেই শূন্য়, তা উত্তর প্রদেশের ভোট এগিয়ে না এলে বোঝাই যেত না। যাঁরা প্রার্থী হতে চান, তাঁদের থেকেই টাকা তুলছে উত্তর প্রদেশ কংগ্রেস। থুড়ি, চাঁদা তুলছে। দলীয় তহবিলের চাঁদা।

কংগ্রেসের তরফে নাকি বলা হয়েছে, যাঁরা যাঁরা উত্তর প্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, তাঁদের প্রত্যেককে দলীয় তহবিলে নগদ ১১ হাজার টাকা করে দিতে হবে। শুধু প্রার্থী হতে চেয়ে আবেদন পত্রের কোনও দাম নেই। তাই সেই প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্রকে বেশ ওজনদার করতে চিঠির সঙ্গে ১১ হাজার টাকাও দিতে হবে। এমনটাই নাকি ফরমান জারি করেছেন উত্তর প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি অজয় কুমার লাল্লু।

সামনেই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোট। প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। তৈরি হচ্ছে নীল নকশা। কোথায় কীভাবে ভোটের কর্মসূচি হবে, প্রচারে কোন কোন ইস্যুগুলি তুলে ধরা হবে… সবই আলোচনা হচ্ছে। আর অবশ্যই আলোচনা হচ্ছে কোন খাতে কত টাকা খরচ হবে। কিন্তু তাই বলে, যাঁদের জন প্রতিনিধি করা হবে, তাঁদের থেকেই টাকা তুলছে কংগ্রেস!

সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে কংগ্রেসের দায়িত্বে থাকা প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দলের নির্বাচনী কমিটির বাকি সদস্যদের বৈঠকেই নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের টাকা পাঠাতে হবে উত্তর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির অ্যাকাউন্টেই।

উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই এক সংক্রান্ত এক বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীপদের জন্য আবেদনপত্র জমা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছএ সঞ্জয় শর্মা এবং বিজয় বাহাদুরকে। যাঁরা যাঁরা আবেদন করতে ইচ্ছুক, তাঁরা উপরে উল্লেখিত দু’জনের কাছে আবেদনপত্র পাঠাতে পারেন। সঙ্গে ১১ হাজার টাকা আরটিজিএস করে পাঠাতে হবে। ডিমান্ড ড্রাফ্ট অথবা পে অর্ডার করলেও চলবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের যাবতীয় তথ্যও উল্লেখ করা রয়েছে।

কথায় বলে, উত্তরপ্রদেশ যার, দিল্লির মসনদ তার। ৮০ টি লোকসভা কেন্দ্র, ৪০৩ টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। আর ২০২২ সালে বিধানসভা ভোটে উত্তর প্রদেশের গড় আরও শক্ত করার মানে, ২০২৪ সালের লোকসভায় শুরু থেকেই এক পা এগিয়ে থাকা। আর এই বিষয়টি বিলক্ষণ বুঝতে পারছে কংগ্রেস। আর তাই উত্তর প্রদেশকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে তারা।

ভোটের এখনও মাস ছ’য়েক বাকি। যোগী রাজ্যে নিজেদের পায়ের তলার মাটি আরও শক্ত করতে তাই এবার উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে। বিশেষ করে রাহুল গান্ধীর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যখন কংগ্রেসের ভিতরেই বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তখন গান্ধী পরিবারের থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বেছে নেওয়াটাই শ্রেয় বলে মনে করছেন কংগ্রেসের দিল্লি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন : National Security Guard:কীভাবে নিয়োগ করা হয় ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোদের? কত বেতন জানেন

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla