নিউ টাউন এনকাউন্টার: মোহালি থেকে আসল ‘সুমিত কুমার’কে গ্রেফতার করল পঞ্জাব পুলিশ

এই সুমিত কুমারের নামেই পাসপোর্ট ও আধার কার্ড বানিয়ে কলকাতায় সাপুরজির ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন ভরত কুমার। সেই ফ্ল্যাটেই থাকত জয়পাল ও যশপ্রীত।

নিউ টাউন এনকাউন্টার: মোহালি থেকে আসল 'সুমিত কুমার'কে গ্রেফতার করল পঞ্জাব পুলিশ
সুমিতের নামে বানানো ভরত কুমারের সেই ফেক আইডি

কলকাতা: সাপুরজিতে এনকাউন্টারের ঘটনায় ক্রমশ উঠছে রহস্যের পর্দা। অভিজাত আবাসনে কী ভাবে ফ্ল্যাট ভাড়া নিলেন জয়পাল সিং ভুল্লার ও যশপ্রীত সিং নামে ওই দুই দুষ্কৃতী, তা জানতে গিয়েই সামনে এসেছে সুমিত কুমারের নাম। সাপুরজির আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন যিনি, তাঁর নথিতেই ছিল সুমিত কুমারের নাম।  যদিও পুলিশি তদন্তে জানা যায়, আসলে সুমিত কুমারের নাম নিয়ে কলকাতায় এসে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ভরত কুমার। সেই ভরতকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। এ বার পুলিশের জালে আসল সুমিত কুমার।

জানা গিয়েছে, ভরত ও সুমিত কুমার বেশ কয়েক বছর ধরে একে অপরের পরিচিত। গাড়ির ‘স্পেশাল নম্বর’ দেওয়ার ব্যবসা ছিল ভরত কুমার ও সুমিত কুমারের। সম্ভবত ব্যবসার সূত্রেই আলাপ তাঁদের। ২০১৫ থেকে তাঁরা একে অপরকে চেনেন। সেই সুমিত কুমারকেই আজ, শনিবার গ্রেফতার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাঁকে জেরা করে একের পর এক তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

পাঞ্জাবের অর্গানাইজড ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের এআইজি গুরমীত চৌহান জানিয়েছেন, সুমিতের কাছ থেকে আধার কার্ডের ডিটেলস চেয়েছিল ভরত কুমার। সুমিত জেরায় জানিয়েছে, একটি গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের জন্য কাজে লাগবে বলে ওই তথ্য চাওয়া হয়েছিল।  পুলিশের অনুমান, সেই তথ্য দিয়েই সুমিত কুমারের নামে পরিচয়পত্র বানিয়েছিল ভরত কুমার। জেরায় সুমিত জানিয়েছে, জয়পাল সি ভুল্লার বা যশপ্রীত সিং-কে তিনি চিনতেন না। তাঁর এই সব দাবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে ‘ঘর’ ছাড়ার নোটিস দিতে চলেছে রাজ্য সরকার

ভরত কুমারের শ্বশুরবাড়ি কলকাতায়। সুমিত নামের ভুয়ো আইডি বানিয়ে ভরতই এসেছিল কলকাতায়। দিন পাঁচেক কলকাতায় ছিল সে। ব্রোকারকে আধার কার্ড দেখিয়ে ভাড়া নেয় ফ্ল্যাট। তারপর, জয়পাল ও যশপ্রীতকে ফ্ল্যাটে রেখে সে পাঞ্জাবে ফিরে যায়। আপাতত পাঞ্জাব পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ভরত কুমার। তার কাছ থেকে তথ্য পেয়েই জয়পালদের সন্ধান পায় পুলিশ। সে জয়পালদের লজিস্টিক দিয়ে সাহায্য করত।