Tea Garden: চা বাগানের সমস্যা মেটাতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসছে রাজ্য, বিধানসভায় জানালেন মলয়
Tea Garden: ১ মার্চ থেকে আইএনটিটিইউসিও ময়দানে নামে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলার বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।

কলকাতা: চা শ্রমিকদের (Tea Garden) সমস্যা সমাধানে বৈঠক করতে চলেছে রাজ্য সরকার। শ্রমিকদের কী কী সমস্যা আছে, কীভাবে সমাধান হবে তা নিয়ে এই বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও থাকবেন চা শ্রমিকদের প্রতিনিধি ও বাগান মালিকরা। সোমবার বিধানসভায় এ কথা জানালেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। গত লোকসভা ভোটে চা বলয়ে ব্যাপক ধাক্কা খায় তৃণমূল। বিধানসভার ভোটের নিরিখেও এগিয়ে বিজেপি। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাই চা বাগানে মাটি শক্ত করতে মরিয়া শাসকদল। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মালবাজারে চা বাগানে সমাবেশও করেছিলেন তিনি।
চলতি বছরের শুরুতে আলিপুরদুয়ারের হাসিমারায় সভা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে চা শ্রমিকদের বঞ্চনার জন্য কেন্দ্রকে বিঁধে মমতা বলেছিলেন, “গত লোকসভা ভোটের আগে বলে গেল, বান্দাপানি থেকে শুরু করে সব চা বাগান খুলে দেবে। আজও করেনি। গালি দেয় আর ঝামেলা লাগায়।” একইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “৩ হাজার চা সুন্দরীর বাড়ির হবে। চা শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি আছে, জমির পাট্টা নিয়ে। মুখ্যসচিবকে বলেছি, কথাবার্তা শুরু করতে। চা বাগান জমি গ্রহণ করে যদি পাট্টা দিতে পারি, যদি সবাই একমত হয়।”
চা শ্রমিকদের এই জমির পাট্টার দাবি দীর্ঘদিনের। এই দাবিকে সামনে রেখে সোমবারই বিজেপির চা বাগান শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের তরফে একটি গেট মিটিং করা হয় আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। ব্লকের তাসাটি চা বাগানের ফ্যাক্টরির ওই গেটের সামনে মিটিং করা হয়। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি থেকে জমির পাট্টা প্রদান-সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এদিনের গেট মিটিং হয় বলে জানা যায়। আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত এই গেট মিটিং চলবে তাদের। তারপর বড় আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
অন্যদিকে ১ মার্চ থেকে আইএনটিটিইউসিও ময়দানে নামে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলার বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও বসেছেন ধরনায়। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব তারা। এসবের মধ্যে এবার সরকারের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত।





