Roti Astro Rules: নতুন বছরের অশুভ ৫ দিনে রুটি বানালে মহাপাপের সমান! ক্রুদ্ধ হন ধনলক্ষ্মীও
Hindu Rules: হিন্দুশাস্ত্র নিয়ম মতে, শুভ কাজে কখনও আমিষ বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। এমনকি চাল বা গমের তৈরি খাবার খাওয়াও অশুভ বলে মনে করা হয়। তবে পায়েস বা ক্ষীর হল হিন্দুধর্মমতে অত্যন্ত পবিত্র একটি ভোগ বা প্রসাদ। কথিত আছে, তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে যদি খাবার না বানানো হয় বা জেনেও ভুল রীতিতে রান্না করা হয়, তাহলে সংসারে অশান্তির মেঘ দেখা যায়। দেখা যায় আর্থিক সঙ্কটও।

হিন্দুশাস্ত্রে রয়েছে হাজারো নিয়ম। তার মধ্যেখাবার নিয়েও রয়েছে নানা বিধি। এমন অনেক নিয়ম রয়েছে যা অনেকের কাছেই অজানা। বর্তমানে সকলেই ব্যস্ত থাকার কারণে, সঠিক নিয়মে মেনে চলা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। খাবারের প্রতি এখন প্রায় সকলেই নাক উঁচু। হিন্দুশাস্ত্র নিয়ম মতে, শুভ কাজে কখনও আমিষ বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। এমনকি চাল বা গমের তৈরি খাবার খাওয়াও অশুভ বলে মনে করা হয়। তবে পায়েস বা ক্ষীর হল হিন্দুধর্মমতে অত্যন্ত পবিত্র একটি ভোগ বা প্রসাদ। কথিত আছে, তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে যদি খাবার না বানানো হয় বা জেনেও ভুল রীতিতে রান্না করা হয়, তাহলে সংসারে অশান্তির মেঘ দেখা যায়। দেখা যায় আর্থিক সঙ্কটও। শুধু তাই নয়, ধনলক্ষ্মীও রেগে যান।
জ্যোতিষশাস্ত্রে খাদ্য সম্পর্কে যেমন নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে, তেমনি আটার তৈরি রুটি বানানোরও রয়েছে আলাদা নিয়ম। বছরের বিশেষ কিছু দিন রয়েছে, যেদিনগুলিতে রুটি বানানোয় রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কারণ ভারতীয়দের খাদ্যতালিকায় রুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। তাই কবে কবে রান্নাঘরে রুটি বানাবেন না, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
দীপাবলি
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, দীপাবলির শুভ উপলক্ষ্যে রোটি তৈরি করায় রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।কারণ এদিন রুটি তৈরিতে শুভ বলে মনে করা হয় না। কারণ এ দিনে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়ে ভক্তদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছান। লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে বাড়িতে সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হলেও রুটি বানানোয় রয়েছে তীব্র নিষেধাজ্ঞা। এদিন আটার তৈরি রুটি বানানো হলে লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করেন না।
শারদ পূর্ণিমা
শারদ পূর্ণিমার দিনেও দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার জন্য উৎসর্গ করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এই শুভ দিনে বাড়িতে রুটি বানানো এড়িয়ে চলা উচিত। বিশ্বাস অনুসারে, এই উপলক্ষে সাদা চালের ক্ষীর তৈরি করা উচিত। আর সেই ক্ষীর প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করা উচিত। ক্ষীর ছাড়াও এদিন বিভিন্ন ধরণের খাবার তৈরি করেন ভক্তরা। তাতে মঙ্গল ও সমৃদ্ধি ফিরে আসে ঘরে।
শীতলা অষ্টমী
শীতলা অষ্টমীর দিনে দেবী শীতলার পুজো করার প্রথা রয়েছে। এই পুজো গ্রামবাংলায় বেশ জনপ্রিয়। এদিন দেবীকে বাসি খাবার নিবেদন করাই রীতি। পুজোর আগের দিন রান্না করে নেওয়া হয়। আর সেই খাবারই পরের দিন বাসি হিসেবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পরিবারের সকলের মধ্যে সেই বাসি খাবার প্রসাদ হিসেবে বিলি করা হয়। এদিন তাজা খাবারএই দিনে মাকে বাসি খাবার নিবেদন করা হয়। এছাড়াও, সকলের একই প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত। বলা হয় যে এই দিনে তাজা খাবার এবং রুটি তৈরি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। তাতে শীতলাদেবীর বিশেষ আশীর্বাদ পাওয়া যায়।
নাগ পঞ্চমী
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, নাগ পঞ্চমীর দিনেও রুটি তৈরি করা উচিত নয়, কারণ যে তাওয়ায় রুটি তৈরি করা হয়, সেই তাওয়া আসলে সাপের ফণার প্রতীক বলে মনে করা হয়। এদিন তাওয়ায় রুটি বানানো হলে খুব রেগে যান নাগদেবী। পরিবারের সদস্যদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারে।





