লাইনে সবার প্রথমে দাঁড়িয়ে টিকা নিলেন করণদিঘির বিধায়কও!
বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, সাধারণ মানুষ নয়, নিজেকেই বাঁচাতে ব্যস্ত শাসকদলের বিধায়করা। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম জলঘোলাও হয়।
উত্তর দিনাজপুর: ভাতার, কাটোয়ার পর এবার করণদিঘির বিধায়ক (Karandighi MLA)। বিতর্কের মাঝেই লাইনে দাঁড়িয়ে করোনার টিকা নিলেন মনোদেব সিং (Manodeb Singh)। করণদিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে সবার আগে টিকা নিলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান মনোদেব সিং।
করোনার টিকাকরণের প্রথম দিন থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছেন শাসক-বিধায়করা। শনিবারই ভাতারের বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় টিকা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। সোচ্চার হয়েছে প্রধান বিরোধী পক্ষ। বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, সাধারণ মানুষ নয়, নিজেকেই বাঁচাতে ব্যস্ত শাসকদলের বিধায়করা। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম জলঘোলাও হয়।
তারই মাঝে বিতর্কে জড়ালেন উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির বিধায়ক মনোদেব সিং। ফোনে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ফোন ধরেননি মনোদেব সিং। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কার্তিকচন্দ্র মন্ডল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। জেলার ডেপুটি সিএমওএইচ অনুপ হাজরা স্বীকার করেছেন বিষয়টি। বিধায়কের স্বাস্থ্য ভালো আছে বলে বাকি বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনিও।
আরও পড়ুন: কবে খুলবে রাজ্যের স্কুল? গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
উল্লেখ্য, ভারত সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দফায় করোনার টিকা নেওয়ার কথা লড়াইয়ের প্রথম সারিতে থাকা যোদ্ধাদের। অর্থাৎ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীদেরই প্রথম দফায় টিকা দেবে সরকার। তবে বাস্তবে দেখা গেল অন্য চিত্র। প্রথম দিনই ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে তৃণমূল বিধায়কদের ভ্যাকসিন নিতে দেখা যায়। যদিও এবিষয়ে আগে থেকেই রাজ্যগুলিকে সচেতন করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দেন, যাতে জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর্মীদের আগে টিকা না নেন।