বরফের চাদরে ঢেকেছে সিকিমের জুলুখ, তুষারপাত মন ভরাচ্ছে পর্যটকদের

বরফে সেজে উঠেছে শৈলরানি। সিকিম থেকে দার্জিলং, গোটা উত্তরবঙ্গ ঢেকেছে বরফে। দেখুন ফোটো গ্যালারি।

1/6
করোনা অতিমারীতে প্রায় পর্যটকশূন্য ছিল উত্তরের শৈলশহর। দেশ ছন্দে ফিরতেই গুটি গুটি পায়ে আগমন ঘটেছে পর্যটকদের। এবছর, বাংলায় শীত দাঁত ফোটাতে পারেনি। পূর্ব সিকিমের গ্রাম জুলুখে বছরের প্রথম তুষারপাত উপভোগ করল বাংলা।
2/6
জুলুখ ছাড়াও সান্দাকফু ও টুমলিং-এ তুষারপাত। উৎফুল্ল পর্যটকেরা।
3/6
শনিবার দুপুর থেকে দার্জিলিং জেলায় শুরু হয়েছে তুষারপাত। হপ্তাখানেক আগেও দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় চলেছিল বৃষ্টিপাত। শনিবার থেকে তুষারপাত শুরু হতেই খুশি পর্যটকেরা। শীতের দার্জিলিং অথচ বরফ নেই, এই মন খারাপ নিয়ে ফিরতে হবে না তাঁদের।
4/6
রবিবার সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আগামী ৩ থেকে ৪ দিন হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গে রাতের তাপমাত্রার সে রকম কোনও পরিবর্তন হবে না। এরপর থেকে আগামী ২ দিন দু থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাতেও আজ হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী দুই-তিন দিনে কমবে পারদ। শীতের কামড় অনুভব করবে বাংলা।
5/6
উত্তরবঙ্গে আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা। বিহার সংলগ্ন মালদা উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশা ।ঘন কুয়াশা থাকবে জলপাইগুড়ি কোচবিহারেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারও মোড়া থাকবে কুয়াশায়।
6/6
৩১ জানুয়ারি নাগাদ জম্মু ও কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে চলেছে। যার জেরে ১ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি অর্থাৎ জম্মু কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রবল তুষারপাতের হতে পারে।