Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Savitiri Jindal: এশিয়ার ধনীতম মহিলার খেতাব পেলেন এই ভারতীয়! কে ইনি জানেন?

Savitri Jindal: ২০০৫ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ওম প্রকাশের মৃত্যু হওয়ার পর ব্যবসার দায়িত্ব তুলে নিতে বাধ্য হন সাবিত্রী। সাবিত্রীর নেতৃত্বে জিন্দল গ্রুপের রাজস্ব প্রায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

Savitiri Jindal: এশিয়ার ধনীতম মহিলার খেতাব পেলেন এই ভারতীয়! কে ইনি জানেন?
ছবি: ফাইল চিত্র
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Jul 30, 2022 | 7:57 PM

চিনের ইয়াং হুইয়ানকে ছাপিয়ে এশিয়ার ধনীতম মহিলার খেতাব জিতে নিলেন সাবিত্রী জিন্দল। শুক্রবারের প্রকাশিত ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়র ইনডেক্স থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে। সাবিত্রীর জিন্দল গ্রুপ ভারী শিল্প, সিমেন্ট এবং বিদ্যুতে শিল্পে ব্যবসাতে গোটা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে। জিন্দল গ্রুপের ১১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পতি রয়েছে বলেই জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। ২০২১-এ প্রকাশিত ফোর্বস ম্যাগাজিনের সেরা ১০ ধনী মহিলার তালিকায় একমাত্র ৭২ বছর বয়সী সাবিত্রী জায়গা করে নিয়েছিলেন।

১৯৫০ সালে অসমের তিনসুকিয়াতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সাবিত্রী। ১৯৭০ সালে তাঁর সঙ্গে ওম প্রকাশ জিন্দলের বিয়ে হয়েছিল। ওম প্রকাশই জিন্দল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। ব্যবসার পাশপাশি রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়েছিলেন ওম প্রকাশ। হিসার বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে হরিয়ানা সরকারে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ওম প্রকাশ।

২০০৫ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ওম প্রকাশের মৃত্যু হওয়ার পর ব্যবসার দায়িত্ব তুলে নিতে বাধ্য হন সাবিত্রী। সাবিত্রীর নেতৃত্বে জিন্দল গ্রুপের রাজস্ব প্রায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সব মিলিয়ে সাবিত্রীর মোট ৯ সন্তান রয়েছে, তাদের মধ্যে পৃথ্বিরাজ, সজ্জন, নবীন এবং রতন অন্যতম। এই ৪ জনের মধ্যে গোটা সংস্থায় ভাগ করে দিয়েছিলেন সজ্জন। পৃথ্বীারাজ জিন্দল জিএসএডাব্লুর চেয়ারম্যান। সজ্জন জেএসডাব্লু গ্রুপের, নবীন জিন্দল স্টিল ও পাওয়ার লিমিটেডের এবং জিন্দল স্টেনলেসের চেয়ারম্যান রতন।

সাবিত্রী জিন্দলও রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২০০৫ সালে হিসার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালে পুনরায় বিধায়ক নির্বাচিত হরিয়ানা সরকারে তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হয়। হরিয়ানার রাজস্ব ও বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের মন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ২০১৪ সালে তিনি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন।