AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Health Tips: এই বীজের মাত্র এক গ্লাস জল পান করলেই কমতে পারে ওজন!

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ফ্ল্যাক্স সীডের এই দুটি উপাদান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার সহ আরও অন্যান্য ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ফ্ল্যাক্স সীড।

Health Tips: এই বীজের মাত্র এক গ্লাস জল পান করলেই কমতে পারে ওজন!
প্রতীকী ছবি
| Edited By: | Updated on: Aug 31, 2021 | 2:10 PM
Share

ফ্ল্যাক্স সীডকে সুপার ফুড বললেও ভুল হবে না। কারণ এর মধ্যে এত ভিটামিন, মিনারেল রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করা পর্যন্ত ফ্ল্যাক্স সীডের একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

ফ্ল্যাক্স সীডের মধ্যে প্রোটিন, ক্যালোরি, ফাইবার, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ৬, ক্যালসিয়াম, ফোলেট, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফরফরাস এবং পটাশিয়াম রয়েছে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে এই ফ্ল্যাক্স সীড স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক ফ্ল্যাক্স সীডের কার্যকারিতা সম্পর্কে।

আপনি যদি নিরামিষভোজী হন, তাহলে শরীরে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করবে এই ফ্ল্যাক্স সীড। কারণ ফ্ল্যাক্স সীডের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এএলএ রয়েছে। এই এএলএ উদ্ভিদজ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা স্ট্রোকের মত ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

এই ফ্ল্যাক্স সীডের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিদজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ইস্ট্রোজেন রয়েছে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ফ্ল্যাক্স সীডের এই দুটি উপাদান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার সহ আরও অন্যান্য ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ফ্ল্যাক্স সীড।

প্রতীকী ছবি

ফ্ল্যাক্স সীডের মধ্যে ৩ গ্রাম ফাইবার রয়েছে। অন্ত্রের সমস্যা সমাধান করার একমাত্র সহজলভ্য খাদ্য হল এই ফ্ল্যাক্স সীড। ফ্ল্যাক্স সীড হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, তার সঙ্গে পেট পরিষ্কার করতে সক্ষম। যেহেতু এটি অন্ত্রের যাবতীয় সমস্যা সমাধান করে এবং হজম ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে তাই এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

আপনি যদি কোলেস্টেরলের রোগী হন তাহলে প্রতিদিন ফ্ল্যাক্স সীড ভেজানো জল পান করুন। ফ্ল্যাক্স সীড ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সহায়ক। শরীরে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে ফ্ল্যাক্স সীড। তাছাড়া যাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাঁরা নিয়মিত ফ্ল্যাক্স সীড খেতে পারেন।

যাঁরা মাছ, মাংস, ডিম খান অর্থাৎ কোনও রকম প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করেন না তাঁরা ফ্ল্যাক্স সীড খেতে পারেন। ফ্ল্যাক্স সীডের মধ্যে উদ্ভিদজ প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরে প্রোটিনের চাহিদাকে পূরণ করে। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও সহায়ক ফ্ল্যাক্স সীড। রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ফ্ল্যাক্স সীড। যেখান থেকে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

আগের রাত থেকে গরম জলে ফ্ল্যাক্স সীড ভিজিয়ে রেখে তা পরদিন সকালে পান করতে পারেন। সুতরাং সুস্থ থাকতে আজই খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন ফ্ল্যাক্স সীডকে।

আরও পড়ুন: ওজন কমাতে খাবারের এই কম্বিনেশনগুলি চেষ্টা করে দেখতে পারেন

Follow Us