ইতিহাসে প্রথমবার! প্রধানমন্ত্রীর মাথায় উঠতে পারে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির মুকুট

এ বারের বৈঠক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ আন্তর্জাতিক মহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে বিপুল জনপ্রিয়তা, তা মাথায় রেখেই এ বারের বৈঠকের সভাপতিত্ব করতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

ইতিহাসে প্রথমবার! প্রধানমন্ত্রীর মাথায় উঠতে পারে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির মুকুট
ফাইল চিত্র।

নয়া দিল্লি: রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারত জায়গা করে নিয়েছে আগেই। এ বার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক পরিচালনের দায়িত্বভারও এসে পড়ল ভারতের কাঁধে। আগামী ৯ অগস্ট এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অগস্ট মাসের জন্য রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলের দায়িত্ব আজই ফ্রান্সের হাত থেকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ মাসের বৈঠকের যাবতীয় আয়োজন করবে ভারতই। করোনা সংক্রমণের কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠক হলেও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা এই বৈঠকে।

এই নিয়ে দশমবার নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠক পরিচালন করার দায়িত্ব পেল ভারত। এর আগে ১৯৫০ সালের জুন মাসে, ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে, ১৯৭৭ সালের অক্টোবর মাসে, ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, ১৯৯১ সালের অক্টোবর মাসে, ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে, ২০১১ সালের অগস্ট ও ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে এই বৈঠকের আয়োজন ও পরিচালন করার দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত।

তবে এ বারের বৈঠক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ আন্তর্জাতিক মহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে বিপুল জনপ্রিয়তা, তা মাথায় রেখেই এ বারের বৈঠকের সভাপতিত্ব করতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এর আগে একাধিকবার দেশের প্রধানমন্ত্রীরা রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে যোগ দিলেও কেউ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেননি। যদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই দায়িত্ব নেন, তবে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এটি একটি স্বর্ণখোচিত দিন হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রাক্তন দূত সৈয়দ আকবরউদ্দিন রবিবার টুইট করে সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন। এছাড়াও একাধিক বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলাও।

ফ্রান্সের হাত থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পরই ভারতের তরফে রাষ্ট্রপুঞ্জের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস তিরুমূর্তি ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, “অগস্ট মাসে নিরাপত্তা কাউন্সিল পরিচালনের দায়িত্ব নিয়ে ভারত তিনটি উচ্চ স্তরীয় বৈঠকের আয়োজন করতে চলেছে। সামুদ্রিক সুরক্ষা, শান্তি বজায় রাখা ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ, এই তিনটি বিষয়ের দিকেই বিশেষ নজর দেওয়া হবে।” সিরিয়া, ইরাক, সোমালিয়া, ইয়েমেন ও মধ্য প্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।  আরও পড়ুন: ‘ছোট দলগুলির জন্য দরজা খোলা’, নিজের উপর আস্থা হারিয়েই কি জোটের ডাক অখিলেশের?

Zika Band

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla