Buladi: বাঙালির কানে আর পৌঁছয় না বুলাদির বুলি!
প্রায় দু’দশক আগে এই রূপেই আবির্ভাব হয়েছিল বুলাদির। লোকমুখে ছড়িয়েছিল তার নাম। তবে বুলাদি কোনও বাস্তবিক চরিত্র নন। ২০০৪ সালের ১লা ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবসে পশ্চিমবঙ্গের এডস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সোসাইটি (WBSPACS)-র উদ্যোগে 'বুলাদি'র ম্যাসকট আত্মপ্রকাশ করে। ঝুঁকিহীন যৌন আচরণ এবং এইডস প্রতিরোধ সম্পর্কে জন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছিল এই চরিত্র।

দৃশ্য ১: রাতের খাওয়া-দাওয়া সেরে ঘরে বসে গল্প করছেন স্বামী-স্ত্রী। স্বামীর আবদার সত্ত্বেও কন্ডোম না থাকায় মিলিত হতে চাইছেন না স্ত্রী। এর মধ্যেই এক কাধে ঝোলা ব্যাগ নিয়ে হাজির এক ‘দিদি’। দিলেন সচেতনতার বার্তা। তার পর নিরাশ স্বামী সময় কাটাতে স্ত্রীকে বললেন, “চলো তাহলে এক দান লুডোই খেলি।” দৃশ্য ২: গীতা যাচ্ছে সীতার বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে। বারান্দায় চুল বাঁধতে বাঁধছেন অপর এক মাঝবয়সী মহিলা। গীতা সীতার বাড়ি যাচ্ছে শুনেই তিনি চমকে উঠলেন। সীতার এইচআইভি সংক্রমণের বিষয়ে গীতাকে জানালেন। কিন্তু গীতা সে সবের পরোয়া না করেই সীতার ডিমের ডেভিলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন। এর পর ফের হাজির সেই ‘দিদি’। এ রকমই কয়েকটি বিজ্ঞাপণ টিভি-র পর্দায় ভেসে...





