Diet to fight Omicron: করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গড়ে তুলুন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা! রোজের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনকে অবশ্যই রাখুন

গত তিন সপ্তাহ ধরে বেড়েই চলেছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। কোভিডের উপসর্গ আর সাধারণ জ্বর-সর্দি ফ্লু এর লক্ষণের মধ্যে তেমন কোনও ফারাক নেই। এই সময় সুস্থ থাকতে বেশি করে খেতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।

1/6
গত তিন সপ্তাহ ধরে বেড়েই চলেছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। কোভিডের উপসর্গ আর সাধারণ জ্বর-সর্দি ফ্লু এর লক্ষণের মধ্যে তেমন কোনও ফারাক নেই। এই সময় সুস্থ থাকতে বেশি করে খেতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।
গত তিন সপ্তাহ ধরে বেড়েই চলেছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। কোভিডের উপসর্গ আর সাধারণ জ্বর-সর্দি ফ্লু এর লক্ষণের মধ্যে তেমন কোনও ফারাক নেই। এই সময় সুস্থ থাকতে বেশি করে খেতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।
2/6
এই সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে বাড়তে পারে শারীরিক ঝুঁকি। সেই সঙ্গে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরে পুষ্টিরও প্রয়োজন। অপুষ্টির শিকার হলে কিন্তু সেরে উঠতেও সময় লাগে। কোভিডে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হয়। শক্তির ক্ষয় হয়।
এই সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে বাড়তে পারে শারীরিক ঝুঁকি। সেই সঙ্গে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরে পুষ্টিরও প্রয়োজন। অপুষ্টির শিকার হলে কিন্তু সেরে উঠতেও সময় লাগে। কোভিডে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হয়। শক্তির ক্ষয় হয়।
3/6
কোভিড থেকে সেরে উঠলে কিংবা কোভিড রুখতে কিন্তু বেশি করে প্রোটিন খেতেই হবে। অতিমারীর সময়ে প্রোটিন আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি। আর যা আমাদের শরীরে অ্যান্টিবডি গঠনে সাহায্য করে এবং সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।
কোভিড থেকে সেরে উঠলে কিংবা কোভিড রুখতে কিন্তু বেশি করে প্রোটিন খেতেই হবে। অতিমারীর সময়ে প্রোটিন আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি। আর যা আমাদের শরীরে অ্যান্টিবডি গঠনে সাহায্য করে এবং সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।
4/6
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রোটিনের ঘাটতি হলে শরীরে কিন্তু রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যায়। খাদ্যে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন না থাকে তাহলে শরীর কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিম্ফয়েড টিস্যুও। যে কারণে কিন্তু শরীরে করোনা আক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই কারণে প্রোটিনকে খাদ্যতালিকায় রাখুন।
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রোটিনের ঘাটতি হলে শরীরে কিন্তু রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যায়। খাদ্যে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন না থাকে তাহলে শরীর কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিম্ফয়েড টিস্যুও। যে কারণে কিন্তু শরীরে করোনা আক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই কারণে প্রোটিনকে খাদ্যতালিকায় রাখুন।
5/6
প্রোটিনের অভাব হলে শুধুই যে করোনার আক্রমণ হতে পারে তা নয়, আসতে পারে আরও একাধিক সমস্যা। ইনফ্লুয়েঞ্জা হোক বা কোভিড সেরে ওঠার সময় শরীর খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। যে কারণে এই সময় ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করা কিন্তু খুবই জরুরি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন ০.৮ মিলিগ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। আপনি যদি কোভিডে আক্রান্ত হন তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং সেই মত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
প্রোটিনের অভাব হলে শুধুই যে করোনার আক্রমণ হতে পারে তা নয়, আসতে পারে আরও একাধিক সমস্যা। ইনফ্লুয়েঞ্জা হোক বা কোভিড সেরে ওঠার সময় শরীর খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। যে কারণে এই সময় ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করা কিন্তু খুবই জরুরি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন ০.৮ মিলিগ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। আপনি যদি কোভিডে আক্রান্ত হন তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং সেই মত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
6/6
কোভিড থেকে সেরে ওঠার পরও নিয়মিত বিভিন্ন বীজ, বাদাম, মুসুর ডাল, দুগ্ধজাত খাবার, মাছ. মাংস, ডিম কিন্তু খেতে হবে। প্রোটিন যেন ডায়েটে থাকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। এছাড়াও ভিটামিন সি, ডি, এ, ই, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও কিন্তু শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কোভিড থেকে সেরে ওঠার পরও নিয়মিত বিভিন্ন বীজ, বাদাম, মুসুর ডাল, দুগ্ধজাত খাবার, মাছ. মাংস, ডিম কিন্তু খেতে হবে। প্রোটিন যেন ডায়েটে থাকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। এছাড়াও ভিটামিন সি, ডি, এ, ই, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও কিন্তু শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Related News

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla