Sandesh Jhingan: ‘সুনীলের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিই’, বেঙ্গালুরুতে সই করে বললেন সন্দেশ
বেঙ্গালুরুতে আবার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করছেন সন্দেশ। পাঁচ বছর আগে বেঙ্গালুরুর হয়ে ফেডারেশন কাপ জিতেছিলেন। এএফসি কাপেও শীর্ষে শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু।

কলকাতা: দড়ি টানাটানি চলছিলই। অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে সেই দড়ি টানাটানিতে জিতে গেল বেঙ্গালুরু এফসি। গত মাসেই এটিকে মোহনবাগান ছেড়েছেন সন্দেশ ঝিঙ্গান (Sandesh Jhingan)। ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডারকে পেতে ঝাঁপিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল আর বেঙ্গালুরু এফসি। স্টিভেন কনস্ট্যান্টাইন কোচ হয়ে আসার পর অনেকেই ভেবেছিলেন সন্দেশ হয়তো লাল-হলুদ জার্সিই পরবেন। কিন্তু দড়ি টানাটানিতে শেষ মুহূর্তে বাজিমাত উদ্যান নগরীর। বেঙ্গালুরু এফসিতে সই সন্দেশের। ২০১৬-১৭ মরসুমে কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে লোনে বেঙ্গালুরুতে সই করেছিলেন এই ডিফেন্ডার। বেঙ্গালুরুতে আবার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করছেন সন্দেশ। পাঁচ বছর আগে বেঙ্গালুরুর হয়ে ফেডারেশন কাপ জিতেছিলেন। এএফসি কাপেও শীর্ষে শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু।
এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা, প্রবীর দাসকে আগেই সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। গত বছর ইস্টবেঙ্গলে নজর কাড়া লেফট ব্যাক হীরা মণ্ডলও সুনীল ছেত্রীর ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন। এ বার বেঙ্গালুরুতে সই সন্দেশের। জাতীয় দলের পাশাপাশি এ বার ক্লাব ফুটবলেও সুনীল ছেত্রীর সঙ্গে খেলতে দেখা যাবে এই ডিফেন্ডারকে। বেঙ্গালুরুতে সইয়ের পর সন্দেশ বলেন, ‘এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে আমার মধুচন্দ্রিমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর কিছুদিন সময় নিয়েছিলাম। পরিবারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তখনই সুনীলের সঙ্গে কথা বলে এখানে সই করার সিদ্ধান্ত নিই। এই ক্লাবের ডিএনএ-র সঙ্গে আমি পরিচিত। দেশের অন্যতম সেরা ক্লাবে সই করে আমি গর্বিত।’
SUPER SUNDAY SURPRISE! ? We’ve let our faithful have this one first. The Blues have unveiled #NewBlue Sandesh Jhingan to the West Block Blues at their open training session at the BFS. He’s ours, Bengaluru! ?#SwagataSandesh #WeAreBFC pic.twitter.com/TBJ92RhPGQ
— Bengaluru FC (@bengalurufc) August 14, 2022
সন্দেশ আরও বলেন, ‘আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আইএসএল জিততে পারলে খুশি হব। আমি তিন বার আইএসএলের ফাইনাল খেলেছি। পরপর দু’বছর ফাইনাল আর প্লে অফ খেলেছি। আমার জীবনে কোনও অনুশোচনা নেই। কারণ, আমি আমার সেরাটা উজাড় করে দিই। যখন আমি পিছনে ফিরে তাকাই, আমার মুখে হাসি লেগে থাকে।’





