AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Creatara নিয়ে এল দুর্ধর্ষ ই-বাইক, 100Kmph স্পিড, রেঞ্জ 100 কিলোমিটার

পারফরম্যান্সের দিক থেকে Creatara VS4 এবং VM4 ইলেকট্রিক বাইক মাত্র 3.7 সেকেন্ডের মধ্যেই 0 থেকে 40kmph-এ অ্যাক্সিলারেট করতে পারে। দুটি বাইকেরই সর্বাধিক স্পিড 100Kmph। সংস্থার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, মডেল দুটি মাত্র 4থেকে 5 ঘণ্টার মধ্যেই 100 কিলোমিটার রেঞ্জ দিতে পারে।

Creatara নিয়ে এল দুর্ধর্ষ ই-বাইক, 100Kmph স্পিড, রেঞ্জ 100 কিলোমিটার
এমন ইলেকট্রিক বাইক দেশে এর আগে আসেনি।
| Edited By: | Updated on: Jan 01, 2024 | 4:38 PM
Share

ইলেকট্রিক ভেহিকল স্টার্ট-আপ Creatara তাদের কনসেপ্ট ই-বাইকের পর্দা উন্মোচন করেছে। এই স্টার্ট-আপটি প্রতিষ্ঠা করেছেন আইআইটি দিল্লির দুই প্রাক্তন ছাত্র বিকাশ গুপ্তা এবং রিংলারেই পামেই। নতুন কনসেপ্ট বাইক দুটি হল VS4 এবং VM4। সংস্থার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, শহরাঞ্চলের চালকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই দুই বাইকেই কাস্টমাইজ়েশন এবং অ্যাডভান্সড টেকনোলজি দেওয়া হয়েছে।

গত দুই বছরে দেশের ইলেকট্রিক ভেহিকল মার্কেটের উত্থান হয়েছে ঝড়ের গতিতে। বার্ষিক বৃদ্ধির হার এর মধ্যেই 20 শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছে। ইকোনমিক সার্ভে 2023 থেকে জানা গিয়েছে, 2030 সালের মধ্যে ভারতের বৈদ্যুতিক দু-চাকা গাড়ির বাজারের বার্ষিক বিক্রিবাট্টা 1 কোটি ছাপিয়ে যাবে।

2030 সালের মধ্যে ভারতের সামগ্রিক যানবাহন বহরের 30% বিদ্যুতায়ন করার লক্ষ্যে ক্রিয়েটারা এই বাজারে প্রবেশ করার লক্ষ্য রেখেছে। ক্রমবর্ধমান জ্বালানি মূল্য, পরিবেশগত উদ্বেগ এবং (হাইব্রিড ও) সরকারের দ্বারা বৈদ্যুতিক যানবাহন (FAME) স্কিমের মত বিষয়গুলিও সংস্থাটিকে নতুন মডেল তৈরি করতে যথেষ্ট উৎসাহিত করেছে।

সুরক্ষার দিক থেকে Creatara ইলেকট্রিক বাইকে রয়েছে সেফ-স্টার্ট টেকনোলজি। চালক বাইকে একবার টাচ করলেই নিজে থেকে স্টার্ট হতে থাকবে মডেল দুটি। বাইকটিকে চালানোর জন্য অযাচিত অ্যাক্সিলারেশনেরও দরকার হবে না। প্যাসিভ ব্যাটারি প্যাক কুলিং রয়েছে এতে, যা ওভারহিটিংয়ের ঝুঁকি এড়াতে পারবে।

এই ইলেকট্রিক বাইক দুটির সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয় হল তাদের লুক। মডিউলার ভেহিকল প্ল্যাটফর্মের উপরে ভিত্তি করে তৈরি করা হচ্ছে বাইকটি। এর সেন্সর এবং জিপিএস ট্র্যাকিং ফিচার চালকের সুরক্ষা জোরদার করে, চালানোর অভিজ্ঞতাও মজবুত করে। হাই গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স, লঙ্গার সাসপেনশন ট্রাফেল, পার্পাজ়-বিল্ট প্যানেল ইত্যাদি রয়েছে, যা হিল-ফ্রেন্ডলি নেভিগেশন দিতে পারে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকে এই ইলেকট্রিক বাইক মাত্র 3.7 সেকেন্ডের মধ্যেই 0 থেকে 40kmph-এ অ্যাক্সিলারেট করতে পারে। দুটি বাইকেরই সর্বাধিক স্পিড 100Kmph। সংস্থার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, মডেল দুটি মাত্র 4থেকে 5 ঘণ্টার মধ্যেই 100 কিলোমিটার রেঞ্জ দিতে পারে।

Follow Us