Kalyan Banerjee: কৃষক আন্দোলনে প্রাণ হারানো পরিবারগুলোকে ২০ লক্ষের ক্ষতিপূরণ দিক কেন্দ্র!

Hooghly: কল্যাণ বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর উচিত ওই দিনই বিল প্রত্যাহার করে তা রিপিল করা। কারণ এই ঘোষণার কোনও আইনি বৈধতা নেই।"

Kalyan Banerjee: কৃষক আন্দোলনে প্রাণ হারানো পরিবারগুলোকে ২০ লক্ষের ক্ষতিপূরণ দিক কেন্দ্র!
প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ তৃণমূল সাংসদের। ফাইল চিত্র।

শ্রীরামপুর: কয়েকদিন আগেই বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধন্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর তারপরই সরকারকে একের পর এক কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে। এবার এই একই ইশ্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিঁধলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। বলেন, “কৃষক আন্দোলনের জেরে যে সাতশোর বেশি কৃষককের মৃত্যু হয়েছে তাদের কুড়ি লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।” এমনটাই দাবি করেছেন এই সাংসদ।

গতকাল সাংবাদিক বৈঠকে কৃষি আইন নিয়ে মুখ খোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়(Kalyan Banerjee)। তিনি এদিন বলেন, “কৃষকদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ২৯ তারিখ সংসদ খুলছে। প্রধানমন্ত্রীর উচিত ওই দিনই বিল প্রত্যাহার করে তা রিপিল করা। কারণ এই ঘোষণার কোনও আইনি বৈধতা নেই।”
বরাবরই চাঁচাচোলা ভাষায় বিরোধী দলকে আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিনও বাদ গেলেন না তিনি। “সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতবর্ষের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর জন্য সাতশোর বেশি মানুষ মারা গিয়েছে। তাদের প্রত্যেকটি পরিবারকে কুড়ি লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করা উচিত। সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা আছে তা নরেন্দ্র মোদী নিজে এফিডেভিড করে ক্ষমা চাক। সেখানে বলুক তার ভুল সিদ্ধান্তের জন্য সাতশো লোক মারা গিয়েছে। তাঁদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সেই কথা ওনাকে বলতেই হবে।”

এখানেই থেমে থাকেননি কল্যাণ। তাঁর সাফ কথা, “ওনাকে বিশ্বাস করা কঠিন।এই তো ক্ষমা চাওয়া শুরু হল।এতো তিনটে কৃষি বিল।এর পর পেগাসাসে ক্ষমা চাইতে হবে।ক্ষমা চাইতে চাইতে নরেন্দ্র মোদীকে ২০২৪ পর্যন্ত যেতে হবে।” পাশাপাশি এদিন সাংসদ দাবি করেন, “শ্রীরামপুর ওয়ালস্ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সাংসদ তহবিলের প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা খরচে করোনা ওয়ার্ড তৈরী করা হয়েছে। সেখানে থাকবে ৩৭ টি শয্যা। পাশাপাশি এই ওয়ার্ডে থাকবে শিশুদেরও চিকিৎসার ব্যবস্থা।”

উল্লেখ্য, গুরুনানক জয়ন্তীতে দেশবাসীর উদ্দেশে বড় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। বিতর্কিত তিন কৃষি আইন(Farm Laws) প্রত্য়াহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তিনি। এ দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ রাখতে গিয়ে তিনি প্রথমেই বলেন, “আজ গুরুনানকের জন্মবার্ষিকী। আমরা বরাবরই কৃষকদের সুবিধার কথা ভেবেই কাজ করেছি। কৃষকদের মঙ্গল কামনা করেই কৃষি আইন আনা হয়েছিল। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও কিছু সংখ্যক কৃষককে আমরা বোঝাতে পারিনি। তাই আমরা এই তিন আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

আরও পড়ুন: Attack on TMC in Tripura: ত্রিপুরায় চড়ছে ভোটের পারদ! ‘বাবুলকে হেনস্থা’, কলকাতায় ফিরে বললেন ফিরহাদ

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla