জ্বর তো রয়েইছে, সঙ্গে আরও উপসর্গ! জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ শিশু

Jalpaiguri: বৃহস্পতিবারই জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর ছড়িয়েছে জলপাইগুড়িতে।

জ্বর তো রয়েইছে, সঙ্গে আরও উপসর্গ! জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ শিশু
জলপাইগুড়িতে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে (নিজস্ব চিত্র)

জলপাইগুড়ি: পরিস্থিতি বাগে আনার কোনও লক্ষ্মই নেই। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) সদর হাসপাতালে জ্বর (Mystery Fever)-সহ অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ১০৫টি শিশু। আজ, শুক্রবারই জলপাইগুড়ি আসতে পারে কলকাতা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের টিম।

বৃহস্পতিবারই জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর ছড়িয়েছে জলপাইগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের জনস্বাস্থ্য বিভাগের ওএসডি চিকিত্সক সুশান্ত রায় বলেন, জলপাইগুড়ি থেকে স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে পাঠানো ১০ টি শিশুর নমুনা। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৩ জন শিশুর মধ্যে আরএস ভাইরাস এবং আরও ৩ জন শিশুর ইনফ্লুয়েঞ্জা বি ভাইরাসের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

প্রতিবছর ঋতু পরিবর্তনের সময় এই জ্বর ছড়ায়। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরের ক্ষেত্রে যে চিকিৎসা রয়েছে, সেই পদ্ধতিতেই হাসপাতালে চিকিত্সাধীন শিশুদের চিকিত্সা হবে। শুক্রবার চিকিৎসা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য মেডিক্যাল টিম তৈরি করল জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে এই টিমে দুজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ, একজন প্যাথলজিস্ট, দু’জন বায়োকেমিস্ট্রির চিকিত্সক রয়েছেন বলে ওএসডি জানিয়েছেন।

জলপাইগুড়ি জেলা সদর হাসপাতালে শিশুদের ভিড় বেড়েই চলেছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ১০ টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩২ টি শিশু নতুন করে জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে এই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১০৫ জন শিশু। সুস্থ হয়ে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে ৩১ জনকে। কয়েকজনকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৯২। গত ২৪ ঘণ্টায় জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ জন শিশু। চিকিত্‍সার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ২৬ জনকে। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে রেফার করা হয়েছে ৫জনকে।

বুধবারই ৫ সদস্যের মেডিক্যাল টিম জলপাইগুড়িতে আসে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশেই এই টিম এসেছে। ৫ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিত্‍সক গৌতম দাস-সহ উত্তরবঙ্গের বিশেষ জনস্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিত্‍সক সুশান্ত রায় ও অন্যান্য আধিকারিকরা।

সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা কার্যত বেআব্রু করে দিয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর হতশ্রী চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে।

আরও পড়ুন: ‘বহু বাচ্চার মধ্যে করোনার উপসর্গ, অথচ কোভিড টেস্ট হয়নি’, পুরুলিয়া হাসপাতাল ঘুরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

 

আরও পড়ুন: North Bengal: হাসপাতালের বেডে গাদাগাদি আক্রান্ত শিশুদের! কেন অব্যবস্থা,  প্রশ্ন বিজেপি বিধায়কের

 

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla