Crack in Farmers Union: চিড় সংযুক্ত কিসান মোর্চার ঐক্যে, ভোটমুখী রাজ্যে রাজনীতিতে পা বাড়াচ্ছেন একাধিক নেতা

Crack in Farmers Union: সংযুক্ত কিসান মোর্চার তরফে আন্দোলনস্থলে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে আসা নিয়েও  বিরোধিতা করা হয়েছে। যদিও এই বিরোধিতাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না কৃষক সংগঠনগুলি। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক সংগঠন একাধিক দলের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

Crack in Farmers Union: চিড় সংযুক্ত কিসান মোর্চার ঐক্যে, ভোটমুখী রাজ্যে রাজনীতিতে পা বাড়াচ্ছেন একাধিক নেতা
কৃষক ঐক্যতেও এবার ফাটল।

চণ্ডীগঢ়: এবার কৃষক ঐক্যেও ফাটল ধরছে ধীরে ধীরে। পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন (Punjab Assembly Election 2022) এগিয়ে আসতেই একাধিক কৃষক সংগঠনের (Farmers Union) নেতা রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। এদিকে, কৃষক সংগঠনগুলির রাজনীতিতে যোগদানকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়েছে সংযুক্ত কিসান মোর্চা(Samyukta Kisan Morcha)-র শীর্ষ নেতারাও।

গত বছর কেন্দ্রের আনা তিন কৃষি আইন(Farm Laws)-র বিরোধিতায় দেশজুড়ে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন যখন সরব হয়েছিল, সেই সময় ৪০টি কৃষক সংগঠনকে একই ছাতার তলায় এনেই তৈরি হয়েছিল সংযুক্ত কিসান মোর্চা। শুক্রবার, ২৬ নভেম্বরেই কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি হচ্ছে। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে কৃষক সংগঠনগুলির তরফে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মাঝে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কৃষক সংগঠনগুলির মধ্য়ে ফাটল দেখা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ সংযুক্ত কিসান মোর্চার শীর্ষ নেতারা। তাদের বক্তব্য, কৃষক আন্দোলন শেষ না হওয়া অবধি আপাতত কৃষক সংগঠনগুলির নিজেদের রাজনৈতিক মতাদর্শ সরিয়ে রাখাই উচিত।

সংযুক্ত কিসান মোর্চার তরফে আন্দোলনস্থলে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে আসা নিয়েও  বিরোধিতা করা হয়েছে। যদিও এই বিরোধিতাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না কৃষক সংগঠনগুলি। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক সংগঠন একাধিক দলের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। কিছু সংগঠন আবার জানিয়েছে, তারা রাজনীতি থেকে দূরেই থাকতে চান।

গত জুলাই মাসেই সংযুক্ত কিসান মোর্চার অন্যতম নেতা গুরনাম সিং চাঁদুনি দাবি করেছিলেন, সংযুক্ত কিসান মোর্চার উচিত ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এরপরই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। যদিও এরপরও ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের হরিয়ানার সভাপতি পঞ্জাবে “মিশন ২০২২” নামে প্রচার শুরু করেছেন।  কৃষকদের বিভিন্ন মিছিলেও যোগ দিতে দেখা গিয়েছে।  রবিবার পঞ্জাবের ৩২টি কৃষক সংগঠনের বৈঠকেও সংযুক্ত কিসান মোর্চার নেতা বলবীর সিং রাজেওয়াল চাঁদুনির যাবতীয় কর্মসূচিকে বয়কট করার প্রস্তাব দেন।  তিনি জানান, কৃষক আন্দোলনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল আইন প্রত্যাহার করানো। যদি কৃষকদের সমস্ত দাবি পূরণ না হয়, তবে আন্দোলন জারি থাকবে, এতে রাজনীতির জায়গা নেই।

তবে কেবল চাঁদুনিই নয়, একাধিক কৃষক নেতারা বিভিন্ন রাজনৈতিকর দলের সঙ্গে কথা বলছেন বলেই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, কৃষক নেতাদের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে তাদের সরাসরি প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। যদিও কৃষক আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ না হওয়ার আগে কেউ এই বিষয়ে কথা বললতে চান না বলেই জানিয়েছেন।

ক্রান্তিকারী কিসান ইউনিয়নের সভাপতি ডঃ দর্শন পালও বলেন, “যদি কৃষক সংগঠনের নেতারা রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন, তবে তাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করাই উচিত। যদি কেউ আমাদের না জানিয়েই রাজনীতিতে যোগ দেন, সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই, তবে কৃষক আন্দোলন শেষ না হওয়া অবধি কোনও রাজনৈতিক পদক্ষেপ না নেওয়াই শ্রেয়।”

আরও পড়ুন: Arvind Kejriwal on Congress: ‘কংগ্রেসকে ভোট দিতেই পারেন যদি….’, শিক্ষামন্ত্রীর আক্রমণে পাল্টা খোঁচা কেজরীবালের 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla