Winter Food: মরসুমি খাদ্যের অনেক গুণ! উপকারিতা পেতে এই খাদ্যগুলিকে অবশ্যই রাখুন খাদ্যতালিকায়

মরসুমি খাবার খাওয়ার সুবিধা হল এগুলি সহজেই উপলব্ধ এবং এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও অনেক। উপরন্ত শীতের মরসুমে জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা লেগেই রয়েছে। এই পরিস্থিতে কোন খাবারগুলি আপনার মধ্যে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে, দেখে নিন এক নজরে...

1/10
ঘি: শীতকালে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় ঘি যুক্ত করুন। রুটি, খিচুড়ির সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খান।
ঘি: শীতকালে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় ঘি যুক্ত করুন। রুটি, খিচুড়ির সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খান।
2/10
কপি: ফুলকপি, ব্রকোলি এই ধরনের সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। উপরন্ত এই ধরনের সবজিগুলি শুধু শীতকালেই পাওয়া যায়। তাই এর সুবিধা নিতে ভুলবেন না যেন।
কপি: ফুলকপি, ব্রকোলি এই ধরনের সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। উপরন্ত এই ধরনের সবজিগুলি শুধু শীতকালেই পাওয়া যায়। তাই এর সুবিধা নিতে ভুলবেন না যেন।
3/10
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুর মধ্যে ফাইবার, ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিনের মত পুষ্টিযুক্ত উপাদান রয়েছে। এই খাদ্য আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে।
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুর মধ্যে ফাইবার, ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিনের মত পুষ্টিযুক্ত উপাদান রয়েছে। এই খাদ্য আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে।
4/10
আমলকী: শীতকালীন ফল হল আমলকী। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা শরীরের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনি আমলকী চাটনি, ক্যান্ডি ও আচার বানিয়ে শীতকালে খেতে পারেন।
আমলকী: শীতকালীন ফল হল আমলকী। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা শরীরের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনি আমলকী চাটনি, ক্যান্ডি ও আচার বানিয়ে শীতকালে খেতে পারেন।
5/10
খেজুর: শীতকালে আর্থ্রা‌ইটিসের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এই ক্ষেত্রে উপকারে আসতে পারে খেজুর। এই ফলের মধ্যে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা হাড়ের পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্য়ের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
খেজুর: শীতকালে আর্থ্রা‌ইটিসের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এই ক্ষেত্রে উপকারে আসতে পারে খেজুর। এই ফলের মধ্যে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা হাড়ের পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্য়ের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
6/10
গুড়: চিনির বদলে গুড় খাওয়ার শরীরের জন্য সব সময় উপকারী। কিন্তু এই শীতকালে যদি গুড় খান তাহলে শরীরে বৃদ্ধি পাবে আয়রনের মাত্রা, যার ফলে আপনি অ্যানেমিয়া রোগ থেকে দূরে থাকবেন এবং নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা।
গুড়: চিনির বদলে গুড় খাওয়ার শরীরের জন্য সব সময় উপকারী। কিন্তু এই শীতকালে যদি গুড় খান তাহলে শরীরে বৃদ্ধি পাবে আয়রনের মাত্রা, যার ফলে আপনি অ্যানেমিয়া রোগ থেকে দূরে থাকবেন এবং নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা।
7/10
মিলেট: মিলেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এটি ওজন কমানোর পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে। আপনি মিলেটের রুটি বানিয়ে খেতে পারেন।
মিলেট: মিলেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এটি ওজন কমানোর পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে। আপনি মিলেটের রুটি বানিয়ে খেতে পারেন।
8/10
মূল যুক্ত সবজি: গাজর, বিট, রসুন এই ধরনের সবজিগুলোর মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ, বি ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই ধরনের সবজিগুলি যেহেতু শীতকালে পাওয়া যায় তাই এই মরসুমি সবজির সুবিধা পেতে এগুলিকে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় রাখুন।
মূল যুক্ত সবজি: গাজর, বিট, রসুন এই ধরনের সবজিগুলোর মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ, বি ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই ধরনের সবজিগুলি যেহেতু শীতকালে পাওয়া যায় তাই এই মরসুমি সবজির সুবিধা পেতে এগুলিকে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় রাখুন।
9/10
বাদাম: শীতকালে শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে বাদাম। আখরোট, আমন্ডের মত বাদামগুলির মধ্যে ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এগুলি রক্তে শর্ক‌রার মাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গড়ে তোলে।
বাদাম: শীতকালে শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে বাদাম। আখরোট, আমন্ডের মত বাদামগুলির মধ্যে ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এগুলি রক্তে শর্ক‌রার মাত্রা, রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গড়ে তোলে।
10/10
সর্ষে শাক: এই শীতকালেই পাওয়া যায় সর্ষে শাক। পাঞ্জাবীদের মধ্যে এই শাকের পদ খাওয়ার চল রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এটি হৃদরোগ, হাঁপানি এবং মেনোপজের উপসর্গে ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের সুবিধা প্রদান করে এবং এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।
সর্ষে শাক: এই শীতকালেই পাওয়া যায় সর্ষে শাক। পাঞ্জাবীদের মধ্যে এই শাকের পদ খাওয়ার চল রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এটি হৃদরোগ, হাঁপানি এবং মেনোপজের উপসর্গে ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের সুবিধা প্রদান করে এবং এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla