সরকারি হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করার প্রয়াস নিয়েছে মারুতি-সুজু়কি!

কোভিডের দ্বিতীয় ঝড়ের দাপটের জেরে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বেহাল দশা সামনে এসে পড়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে বেড নেই। অক্সিজেনের আকাল।

  • Updated On - 11:25 am, Sat, 29 May 21
সরকারি হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করার প্রয়াস নিয়েছে মারুতি-সুজু়কি!
ছবি সৌজন্যে গুগল ইমেজেস।

করোনার নয়া রূপের জেরে আক্রান্তদের শ্বাসকষ্ট ও অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অতিমারিতে অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। আক্রান্তরা শুধুমাত্র অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। এমন দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বেশ কয়কজন সহৃদয় ব্যক্তি ও সংস্থাগুলি। সংক্রমণের দ্বিতীয় তরঙ্গে বিধ্বস্ত মানুষ এবার পাশে পেল অটোমোবাইল সংস্থা মারুতি সুজু়কিকে। গাড়ি প্রস্তুতকারক হিসেবে মারুতি সুজুকি এয়ারক্স নিজেন, স্যাম গ্যাসেস ও গ্যাসকনের মাধ্যমে অক্সিজেন জেনারেটরের ইত্‍পাদন বাড়াতে সাহায্য করতে উদ্যোগ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, ভারতীয় গাড়ি নির্মাতার এই প্রচেষ্টায় অক্সিজেন জেনারেটরের সাহায্য অক্সিজেনের মাত্রা ১০ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতের বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারক এই সংস্থাটি সরকারি হাসপাতালগুলিতে ২৪টি পিএসএ অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির অনুদান ও ইনস্টল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইতোমধ্যেই প্রথম চারটি অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট গুরুগ্রামের সেক্টর ১০ সিভিল হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ইএসআইসি হাসপাতাল, সেক্টর ৯, গুরুগ্রাম ইএসআইসি হাসপাতাল, মানেসরে অক্সিজেন জেনারেটরের প্লান্ট বসানো হয়েছে। অভিনব এই প্রচেষ্টায় ভার্চুয়াল ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টার।

আরও পড়ুন: KTM RC 390: কেটিএমের এই নতুন বাইকের প্রিবুকিং শুরু হয়েছে, ভারতে লঞ্চ হবে খুব তাড়াতাড়ি

বাকি ২০টি অক্সিজেন প্লান্ট ২০২১ সালের জুনের মধ্যেই বসানো হবে বলে জানা গিয়েছে। মারুতি-সুজু়কির এই সমাজমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জেবিএমএল, এসকে এইচ মেটাল ও মাদারসন সংস্থা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, হাসপাতালগুলিতে শুধু প্লান্ট স্থাপন করেই কাজ শেষ হয়ে যাচ্ছে না, আগামী কয়েকমাস ধরে, সেই প্লান্টের দেখাশোনা, ও কার্যক্ষমতার উপর নজর রাখবে একটি বিশেষ দল।

এমএসআইএলের চেয়ারম্যান আর সি ভার্গব জানিয়েছেন, মারুতি সুজু়কি কোভিডের জন্য অক্সিজেন বৃদ্ধির জন্য পিএসএ প্লান্টের উত্‍পাদন বৃদ্ধি করতে তিনটি নির্মাতার সমর্থন করেছে। এই প্রকল্পের ফলে এক মাসের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের জন্য অক্সিজেন তৈরির করতে সক্ষম হয়েছে।