Civic Volunteer: প্রথমে গালাগালি তারপর বন্দুকের বাঁট দিয়ে পড়ুয়ার মাথা ফাটাল সিভিক পুলিশ

Birbhum: অভিযুক্ত সিভিক পুলিশের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Civic Volunteer: প্রথমে গালাগালি তারপর বন্দুকের বাঁট দিয়ে পড়ুয়ার মাথা ফাটাল সিভিক পুলিশ
থানায় ওই সিভিক পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

বীরভূম: কলেজ পড়ুয়াকে মারধরে নাম জড়ালো এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের (Civic Police)। শুধু তাই নয় পাশাপাশি ওই পড়ুয়াকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে।

ঘটনাস্থান বীরভূমের মুরারই (Birbhum)। অভিযুক্ত সিভিক পুলিশের নাম গুলজার শেখ। সে মুরারই থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ার পদে কর্মরত।

কী ঘটেছিল?
জানা গিয়েছে মুরারই কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া সাইফুল শেখ। গতকাল রাতে সাইফুল ও তার কয়েকজন বন্ধু মিলে জলসা দেখতে যাচ্ছিল। অভিযোগ, হঠাৎ করেই ওই সিভিক পুলিশ নাকি সাইফুলের বন্ধুকে দেখে গালিগালাজ করতে থাকে। গুলজার শেখের এই কাজে রীতিমত অবাক হয়ে যায় ওই কলেজ পড়ুয়া ও তার বন্ধুরা। কিন্তু কটূক্তির ভাষা বাড়তে থাকায় আর থেমে থাকেনি সাইফুল। বিনাকারণে বন্ধুকে গালিগালাজের প্রতিবাদ করে সে। এরপরই ওই সিভিক পুলিশ চড়াও হয় তার উপর।

অভিযোগ পিস্তলের বাঁট দিয়ে একের পর এক বারি মারতে থাকে ওই সিভিক পুলিশ। ঘটনায় রীতিমতো কপালের ডানদিকে ফেটে যায় সাইফুলের। রক্তঝরতে থাকে ক্রমাগাত। এরপর তাকে উদ্ধার করে মুরারই গ্রমীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার বিষয় জানিয়ে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মুরারই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে সাইফুল শেখ।

এই ঘটনার বিষয়ে আহত ছাত্র সাইফুল জানায়, “ওই সিভিক পুলিশ এখানে গুণ্ডারাজ চালাচ্ছে। গতকাল আমি ও আমার এক বন্ধু জলসা শুনতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ওরা আমার বন্ধুকে দেখে গালিগালাজ শুরু করে। ওরা মদ্যপ অবস্থায় ছিল। ওদের কোনও হুঁশ ছিল না। আমি যখন জানতে চাই কেন কটূক্তি করছে সেই সময় গুলজার বন্দুকের বাঁট দিয়ে মাথায় বারি মারতে শুরু করল। খালি মেরেই গেল মাথায়। ওরা একসঙ্গে ছয়জন ছিল। আমি এই ঘটনায় প্রতিবাদ করছি। থানায় ইতিমধ্যেই ওদের ছয়জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছি। আমাদের দাবি পুলিশ যেন ওদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেয়। ”

উল্লেখ্য, কালীপুজোর সময়ও খবরের শিরোনামে এসেছিল ভাতারের সিভিক ভলেন্টিয়ারের মারধরের কাহিনী। বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সংঘর্ষের কারণে গ্রেফতার হয় সিভিক পুলিশ।জানা যায়, ওই সিভিক পুলিশের নাম কৌশিক রায়। অন্যান্য অভিযুক্তরা হল চিরঞ্জিত ভট্টাচার্য্য, রামকৃষ্ণ রায়, রিংকু রায়, মিলন মল্লিক, রাজু সানা ও রামকৃষ্ণ রায়। এদের প্রত্যেকের বাড়ি ভাতারের বড়বেলুন গ্রামে। ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: SSC Recruitment: গ্রুপ ডি নিয়োগ নিয়ে আবার মামলা! ফের ডিভিশন বেঞ্চে গেল কমিশন

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla