Unknown Fever: জলপাইগুড়িতে বাড়ছে জ্বরাক্রান্ত রোগীর সংখ্যা! ৩ শিশুকে স্থানান্তরিত করা হল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে

Jalpaiguri News: শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আজও ৩ শিশুকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে।

Unknown Fever: জলপাইগুড়িতে বাড়ছে জ্বরাক্রান্ত রোগীর সংখ্যা! ৩ শিশুকে স্থানান্তরিত করা হল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে
ছবি-টুইটার

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে শিশুদের জ্বর কমার কোনও লক্ষণ নেই। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে শিশু রোগীর সংখ্যা। রোগীর ঠেলায় আউটডোর সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আজও ৩ শিশুকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে।

জ্বর, শ্বাসকষ্ট, সর্দি,কাশি,পেট ব্যথা ইত্যাদি বহুবিধ উপসর্গ নিয়ে আজও জলপাইগুড়ি হাসপাতাল আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে ভিড় ছিল রোগীদের। জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষরা শিশুদের নিয়ে এসে ভিড় জমাতে থাকেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা পরিষেবার বেহাল দশা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। রোগীদের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেই ভালো চিকিৎসক। অমিল বেড। একই বেডে গাদাগাদি করে রাখা হচ্ছে শিশুদের।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ইতিমধ্যেই কয়েকবার এসে ঘুরে গিয়েছেন জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে। কিন্তু এরপরও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। জ্বর বা শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

এদিকে, হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মণ বলেন, “হাসপাতালের চিকিৎসকেরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। যারা বেশি অসুস্থ হচ্ছে তাদেরকেই স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।”

জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট শিশু ভর্তি হয়েছে ৯৮ জন। এরমধ্যে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৩। স্থানান্তরিত হয়েছে ৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১৪ জন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর জেলায় মেলে শিশুদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর। সেই সময় বিগত ৮ দিনে ৪ শিশু নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়। পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট বাড়ায় জ্বরে আক্রান্ত ৩ শিশুকে স্থানান্তরিত করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়েছিল। সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, জেলা জুড়ে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। ফলে, কেবল সদর হাসপাতালেই রোগীর চাপ বেড়েছে এমন নয়, বেসরকারি হাসপাতালগুলিরও প্রায় একই অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে অনেক হাসপাতাল থেকেই রোগীকে রেফার করা হচ্ছে সদর হাসপাতালে। ফলে বাড়ছে চাপ। হাসপাতালের শিশু বিভাগের একটি বেডে একসঙ্গে ৩জন শিশুর চিকিত্‍সা চালানো হচ্ছে। জ্বরে প্রায় বেহুঁশ হতে বসা শিশুদের এইভাবেই চলছে চিকিত্‍সা।ক্রমে জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে চলায় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে ৪০ টি বেড বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই সময় জলপাইগুড়ি রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বিজয় চন্দ্র বর্মণ জানিয়েছিলেন, জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের ভর্তি থাকা ৩ জন শিশুকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে আরও এক শিশুর দেহে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: Unknown Fever: অজানা জ্বরের সঙ্গে দোসর করোনা, জলপাইগুড়িতে ৮ দিনে আক্রান্ত ৪ শিশু

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla