জুনে আসত আরও ২ সঙ্গী, ভুল্লারদের প্ল্যান ছিল এন্টালি-ধর্মতলায় ফ্ল্যাট নেওয়ার! কলকাতার বুকে বসে কী ছক কষেছিল গ্যাংস্টাররা?

কতটা দূরে দাগী অপরাধের হাত? নিউটাউন এনকাউন্টার (Newtown Shootout)-তদন্তে পরতে পরতে রহস্য।

জুনে আসত আরও ২ সঙ্গী, ভুল্লারদের প্ল্যান ছিল এন্টালি-ধর্মতলায় ফ্ল্যাট নেওয়ার! কলকাতার বুকে বসে কী ছক কষেছিল গ্যাংস্টাররা?
ফাইল ছবি

কলকাতা: কতটা দূরে দাগী অপরাধের হাত? নিউটাউন এনকাউন্টার (Newtown Shootout)-তদন্তে পরতে পরতে রহস্য। পাকযোগের প্রমাণ আগেই মিলেছে। এবার কিছু তথ্য উঠে আসছে বাংলাদেশ যোগেরও।

এসটিএফের তদন্তে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তের খোঁজ করেছিল জয়পাল সিং ভুল্লার ও যশপ্রীত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কয়েকদিন কথা বলেছিলেন। জানা গিয়েছে, ধর্মতলা ও এন্টালিতেও ফ্ল্যাট নেওয়ার ছক কষেছিল তারা। জুন মাসের শেষের দিকে তাদের আরও দুজন সঙ্গী আসার কথা ছিল। তাদের জন্যই নতুন ফ্ল্যাটের খোঁজ করছিল ভুল্লাররা।

সাপুরজির অভিজাত হাউজ়িং কমপ্লেক্সের বাকি আবাসিকদের সঙ্গে সেভাবে কথা বলত না ভুল্লাররা। তবে মাঝে কয়েকবার কথা হওয়ায়, তারা বসিরহাট সীমান্ত নিয়ে বেশ কয়েকবার খোঁজ খবর করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বসিরহাট হয়ে বাংলাদেশে জাল ছড়ানোর ছক কষেছিল ভুল্লাররা।

এদিকে, নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাটের মালিক আকবর আলিকে ঘণ্টা তিনেক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, অনলাইনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ভুল্লাররা। ফ্ল্যাট ভাড়ার চুক্তি হয় ই-মেলে। পুলিশি তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। নাম ভাড়িয়ে সুমিত কুমার অর্থাৎ ভরতই জয়পালদের জন্য ফ্ল্যাট ভাড়া করে।

আরও পড়ুন: নিউ টাউনে ‘শ্যুটআউট’, ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফরেনসিক টিম

জানা যায়, জয়পালের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভরত। অপরাধের পর বিভিন্ন জায়গায় জয়পালকে ‘লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট’ দিত ভরত। তার থেকেই জয়পালের কলকাতা যোগ সূত্র পায় পুলিশ। তারপরই সেই তথ্য শেয়ার করা হয় কলকাতা পুলিশের সঙ্গে। খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন নেন কলকাতা পুলিশের এসটিএফ কর্তারা।