Pregnancy: গর্ভে এসেছে সন্তান! তারপরেও এই খাবারগুলি খাচ্ছেন নাকি?

Pregnancy Diet: গর্ভে সন্তান আসা এক অনন্য অনুভূতি। প্রেগন্যান্সি আসলে সন্তানের মা’কে একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। না হলে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

Jul 24, 2022 | 7:12 PM
TV9 Bangla Digital

| Edited By: dipta das

Jul 24, 2022 | 7:12 PM

গর্ভে সন্তান আসা এক অনন্য অনুভূতি। প্রেগন্যান্সি আসলে সন্তানের মা’কে একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। না হলে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। সন্তানসম্ভবা মহিলাদের তাই বাড়ির বয়স্করা একাধিক  ধরনের খাদ্য খেতে নিষেধ করেন।

গর্ভে সন্তান আসা এক অনন্য অনুভূতি। প্রেগন্যান্সি আসলে সন্তানের মা’কে একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। না হলে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। সন্তানসম্ভবা মহিলাদের তাই বাড়ির বয়স্করা একাধিক ধরনের খাদ্য খেতে নিষেধ করেন।

1 / 10
কারণ বিশেষ কিছু ধরনের খাদ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষে হানিকারক হতে পারে। এছাড়া বেশ কিছু খাদ্য শরীরে এমন কিছু প্রতিক্রিয়া তৈরি করে যা গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষেও হিতকর নয়। মূল বিষয়টি হল, স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে সন্তানের স্বাস্থ্য ভাল রাখা।

কারণ বিশেষ কিছু ধরনের খাদ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষে হানিকারক হতে পারে। এছাড়া বেশ কিছু খাদ্য শরীরে এমন কিছু প্রতিক্রিয়া তৈরি করে যা গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষেও হিতকর নয়। মূল বিষয়টি হল, স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে সন্তানের স্বাস্থ্য ভাল রাখা।

2 / 10
তাই প্রেগন্যান্সি অবস্থায় খাদ্য নির্বাচনের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না, প্রেগন্যান্সি অবস্থায় কেন এই ধরনের খাদ্য খাওয়া উচিত নয়?

তাই প্রেগন্যান্সি অবস্থায় খাদ্য নির্বাচনের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না, প্রেগন্যান্সি অবস্থায় কেন এই ধরনের খাদ্য খাওয়া উচিত নয়?

3 / 10
বাচ্চার পুষ্টির বজায় রাখতে হলে সন্তানসম্ভবা মায়ের উচিত এমন কিছু খাদ্য খাওয়া যা বাচ্চার দেহে খনিজ ও ভিটামিনের জোগান বজায় রাখে। তাই ফল, সব্জি এবং আটাজাতীয় (গ্লুটেন অ্যালার্জি না থাকলে) খাদ্য খাওয়া যায়। এরই মাঝে কিছু খাদ্য সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। দেখা যাক সেই খাদ্যগুলি কী কী?

বাচ্চার পুষ্টির বজায় রাখতে হলে সন্তানসম্ভবা মায়ের উচিত এমন কিছু খাদ্য খাওয়া যা বাচ্চার দেহে খনিজ ও ভিটামিনের জোগান বজায় রাখে। তাই ফল, সব্জি এবং আটাজাতীয় (গ্লুটেন অ্যালার্জি না থাকলে) খাদ্য খাওয়া যায়। এরই মাঝে কিছু খাদ্য সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। দেখা যাক সেই খাদ্যগুলি কী কী?

4 / 10
পেঁপে: এই ফলটিও শরীরে তাপমাত্রার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। প্রেগন্যান্সির সময় দেহের তাপমাত্রার পরিবর্তন মোটেই ভালো ব্যাপার নয়। এছাড়া এই ফলে থাকে যথেষ্ট মাত্রায় ল্যাটেক্স যা ইউটেরাইন কনট্র্যাকশন বা জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে পারে। হতে পারে রক্তপাত এমনকী মিসক্যারেজও। ভ্রূণের বৃদ্ধিরও অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় পেঁপে। তাই প্রেগন্যান্সিতে পেঁপে না খাওয়াই উচিত।

পেঁপে: এই ফলটিও শরীরে তাপমাত্রার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। প্রেগন্যান্সির সময় দেহের তাপমাত্রার পরিবর্তন মোটেই ভালো ব্যাপার নয়। এছাড়া এই ফলে থাকে যথেষ্ট মাত্রায় ল্যাটেক্স যা ইউটেরাইন কনট্র্যাকশন বা জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে পারে। হতে পারে রক্তপাত এমনকী মিসক্যারেজও। ভ্রূণের বৃদ্ধিরও অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় পেঁপে। তাই প্রেগন্যান্সিতে পেঁপে না খাওয়াই উচিত।

5 / 10
কলা: অ্যালার্জি থাকলে কলা না খাওয়াই উচিত। এছাড়া প্রেগন্যান্সি চলাকালীন বহু মহিলা জেস্টেশনাল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। এমতাবস্থায় সন্তানসম্ভবা মহিলাদের কলা খেতে নিষেধ করা হয়। এছাড়া কলায় থাকে চাইটিনেস নামে এনজাইম। ল্যাটেক্সের মতো উপাদানটি অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে। তবে অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে ও ডায়াবেটিস না থাকলে কলা খাওয়া যেতেই পারে।

কলা: অ্যালার্জি থাকলে কলা না খাওয়াই উচিত। এছাড়া প্রেগন্যান্সি চলাকালীন বহু মহিলা জেস্টেশনাল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। এমতাবস্থায় সন্তানসম্ভবা মহিলাদের কলা খেতে নিষেধ করা হয়। এছাড়া কলায় থাকে চাইটিনেস নামে এনজাইম। ল্যাটেক্সের মতো উপাদানটি অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে। তবে অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে ও ডায়াবেটিস না থাকলে কলা খাওয়া যেতেই পারে।

6 / 10
তেঁতুল: তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। আর সেই কারণেই প্রেগন্যান্সির সময় তেঁতুল খেতে নিষেধ করা হয়। তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার কারণে, অতিরিক্ত মাত্রায় তেঁতুল খেলে তা দেহে প্রজেস্টেরনের উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। প্রেগন্যান্সিতে দেহে প্রজেস্টেরন হর্মোনের মাত্রার হ্রাস মিসক্যারেজের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

তেঁতুল: তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। আর সেই কারণেই প্রেগন্যান্সির সময় তেঁতুল খেতে নিষেধ করা হয়। তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার কারণে, অতিরিক্ত মাত্রায় তেঁতুল খেলে তা দেহে প্রজেস্টেরনের উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। প্রেগন্যান্সিতে দেহে প্রজেস্টেরন হর্মোনের মাত্রার হ্রাস মিসক্যারেজের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

7 / 10
খেজুর: এমনিতে খেজুরে একাধিক ভিটামিন ও খনিজ থাকে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের আশঙ্কাও কমিয়ে দিতে পারে খেজুর। তবে খেজুর দ্রুত এনার্জি দেয়। শরীরের তাপমাত্রাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই ইউটেরাইন কনট্র্যাকশনের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই সন্তানসম্ভবা অবস্থায় একটি বা দু’টি খেজুর খাওয়া যায়। তার বেশি খেজুর খাওয়া কিন্তু উচিত হবে না। সেক্ষেত্রে নানারূপ শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

খেজুর: এমনিতে খেজুরে একাধিক ভিটামিন ও খনিজ থাকে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের আশঙ্কাও কমিয়ে দিতে পারে খেজুর। তবে খেজুর দ্রুত এনার্জি দেয়। শরীরের তাপমাত্রাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই ইউটেরাইন কনট্র্যাকশনের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই সন্তানসম্ভবা অবস্থায় একটি বা দু’টি খেজুর খাওয়া যায়। তার বেশি খেজুর খাওয়া কিন্তু উচিত হবে না। সেক্ষেত্রে নানারূপ শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

8 / 10
কাঁচা ডিম: কাঁচা ডিমে একাধিক ব্যাকটেরিয়া থাকে। তাই ভালো করে সেদ্ধ করেই ডিম খাওয়া হয়। কাঁচা ডিম খেলে সেক্ষেত্রে দেহে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, বমি বমি ভাব, বমি, পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে যা প্রেগন্যান্সিতে একেবারেই কাম্য নয়।

কাঁচা ডিম: কাঁচা ডিমে একাধিক ব্যাকটেরিয়া থাকে। তাই ভালো করে সেদ্ধ করেই ডিম খাওয়া হয়। কাঁচা ডিম খেলে সেক্ষেত্রে দেহে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, বমি বমি ভাব, বমি, পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে যা প্রেগন্যান্সিতে একেবারেই কাম্য নয়।

9 / 10
পারদযুক্ত মাছ: পারদ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমর পক্ষে হানিকারক। এমনকী দেহের রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতায় কমিয়ে দিতে পারে পারদ। ক্ষতি করতে  পারে কিডনির। দেহে পারদের মাত্রা বেশি হলে বাচ্চাদের বুদ্ধির বিকাশেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী সামান্য মাত্রাতেও পারদ শরীরের বিপুল ক্ষতি করতে পারে। সম্প্রতি কিছু গবেষণায় দূষণ আক্রান্ত সমুদ্রের মাছের দেহে পারদের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে সন্তানসম্ভবা অবস্থায় সামুদ্রিক মাছ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

পারদযুক্ত মাছ: পারদ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমর পক্ষে হানিকারক। এমনকী দেহের রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতায় কমিয়ে দিতে পারে পারদ। ক্ষতি করতে পারে কিডনির। দেহে পারদের মাত্রা বেশি হলে বাচ্চাদের বুদ্ধির বিকাশেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী সামান্য মাত্রাতেও পারদ শরীরের বিপুল ক্ষতি করতে পারে। সম্প্রতি কিছু গবেষণায় দূষণ আক্রান্ত সমুদ্রের মাছের দেহে পারদের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে সন্তানসম্ভবা অবস্থায় সামুদ্রিক মাছ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

10 / 10

Follow us on

Most Read Stories

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla