Hair Loss: চুলের যত্ন নেওয়ার পরও চুল পড়ে যাচ্ছে? এর পিছনে আপনার কোনও খাদ্যাভাস লুকিয়ে নেই তো!

স্বাস্থ্যকর, শক্তিশালী এবং উজ্জ্বল চুল পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের জন্য কাম্য। ত্বকের মতো, স্বাস্থ্যকর চুলও একটি সুপুষ্ট শরীরের সূচক। মানসিক চাপ ও দূষণ আমাদের চুলের ক্ষতি করে। কিন্তু আপনি কি জানেন এমন কিছু খাদ্য রয়েছে যা আপনার চুক পড়ে যাওয়ার পিছনে দায়ী। তাহলে দেখে নিন চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য কোন কোন খাদ্যকে এড়িয়ে চলবেন!

1/7
চিনি: চিনি আপনার শরীরের জন্য যতটা খারাপ, ততটাই খারাপ প্রভাব ফেলে চুলের ওপরে।
চিনি: চিনি আপনার শরীরের জন্য যতটা খারাপ, ততটাই খারাপ প্রভাব ফেলে চুলের ওপরে।
2/7
উচ্চ গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবার: উচ্চ গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবারগুলি শরীর এবং চুলের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। এই খাবারগুলি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে এবং ইনসুলিন ও অ্যান্ড্রোজেনের একটি স্পাইক সৃষ্টি হয় যা চুলের ফলিকলের সাথে আবদ্ধ থাকে এবং এর ফলে চুল পড়ে যায়।
উচ্চ গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবার: উচ্চ গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবারগুলি শরীর এবং চুলের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। এই খাবারগুলি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে এবং ইনসুলিন ও অ্যান্ড্রোজেনের একটি স্পাইক সৃষ্টি হয় যা চুলের ফলিকলের সাথে আবদ্ধ থাকে এবং এর ফলে চুল পড়ে যায়।
3/7
জাঙ্ক ফুড: জাঙ্ক ফুডগুলি প্রায়শই স্যাচুরেটেড ও মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে পরিপূর্ণ যা আপনার শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে এটি চুলে পড়ে যাওয়ার পিছনেও এটি দায়ী।
জাঙ্ক ফুড: জাঙ্ক ফুডগুলি প্রায়শই স্যাচুরেটেড ও মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে পরিপূর্ণ যা আপনার শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে এটি চুলে পড়ে যাওয়ার পিছনেও এটি দায়ী।
4/7
অ্যালকোহল: চুলে থাকা কেরাটিন নামক প্রোটিনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে চুলকে দুর্বল করে দেয় অ্যালকোহল। অত্যধিক পরিমাণে অ্যালকোহল  সেবন করলে চুলে পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয় যার ফলে ফলিকলের মৃত্যু ঘটে।
অ্যালকোহল: চুলে থাকা কেরাটিন নামক প্রোটিনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে চুলকে দুর্বল করে দেয় অ্যালকোহল। অত্যধিক পরিমাণে অ্যালকোহল সেবন করলে চুলে পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয় যার ফলে ফলিকলের মৃত্যু ঘটে।
5/7
ডিম: ডিম চুলের জন্য দুর্দান্ত কিন্তু ডিম কাঁচা খাওয়া উচিত নয়। বিশেষত কাঁচা ডিমের সাদা অংশ বায়োটিনের অভাব সৃষ্টি করতে পারে, এই ভিটামিন কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এখান থেকে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়।
ডিম: ডিম চুলের জন্য দুর্দান্ত কিন্তু ডিম কাঁচা খাওয়া উচিত নয়। বিশেষত কাঁচা ডিমের সাদা অংশ বায়োটিনের অভাব সৃষ্টি করতে পারে, এই ভিটামিন কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এখান থেকে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়।
6/7
ডায়েট সোডা: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ডায়েট সোডায় অ্যাসপার্টেম নামে একটি কৃত্রিম মিষ্টি থাকে, যা চুলের ফলিকলের ক্ষতি করে। তাই চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ডায়েট সোডা এড়িয়ে চলুন।
ডায়েট সোডা: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ডায়েট সোডায় অ্যাসপার্টেম নামে একটি কৃত্রিম মিষ্টি থাকে, যা চুলের ফলিকলের ক্ষতি করে। তাই চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ডায়েট সোডা এড়িয়ে চলুন।
7/7
মাছ: উচ্চ পরিমাণ পারদ চুলের ক্ষতি করে। গত কয়েক বছরে মাছের মধ্যে মিথাইল-পারদের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষকরা মনে করেন সেখান থেকেই ক্ষতি হচ্ছে চুলের।
মাছ: উচ্চ পরিমাণ পারদ চুলের ক্ষতি করে। গত কয়েক বছরে মাছের মধ্যে মিথাইল-পারদের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষকরা মনে করেন সেখান থেকেই ক্ষতি হচ্ছে চুলের।

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla