AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jamtara Train Accident: গুজব যে কী ভয়ঙ্কর হতে পারে, জামতাড়ার দুর্ঘটনা বুঝিয়ে দিল…

Jamtara: বৃহস্পতিবার এলাকায় যান জামতাড়ার এসডিও অনন্ত কুমার, জামতাড়া থানার কার্মাটাঁড় ফাঁড়ির আইসি বিবেকানন্দ দুবে। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি, ২ জন মারা গিয়েছেন। অথচ রটিয়ে দেওয়া হয়েছে ১২ জন মারা গিয়েছেন। রেলকে বদনামের চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন তিনি। 

Jamtara Train Accident: গুজব যে কী ভয়ঙ্কর হতে পারে, জামতাড়ার দুর্ঘটনা বুঝিয়ে দিল...
ঘটনাস্থলে পুলিশ। Image Credit: ANI
| Edited By: | Updated on: Feb 29, 2024 | 9:18 PM
Share

আসানসোল: জামতাড়ার কাসিটার হল্টের কাছে বুধবার ভয়াবহ এক ঘটনা ঘটে। রেল লাইনের ধারে জমা নোংরা থেকে আগুন আতঙ্ক ছড়ায়। বৃহস্পতিবারও কাঁসিটার হল্টের কাছে রেললাইনের ধারে পড়ে ছিল ছেঁড়া জামা প্যান্ট, ব্যাগ, কাপড়। বোঝাই গিয়েছে আগেরদিন রাতে কী ঝড় বয়েছে এই এলাকায়! একটা গুজব যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, কী ভয়ঙ্কর পারে, বুধবারের ঘটনা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

জামতাড়ার বিদ্যাসাগর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বুধবার ঘটনাটি ঘটে। ২ জন শ্রমিক মারা যান। একজন জামুইয়ের বাসিন্দা সুকেন্দ্রকুমার যাদব, অন্যজন কাকলি মাজি। তাঁরা ছিলেন যশবন্তপুরগামী অঙ্গ এক্সপ্রেসে। আসানসোল ঝাঝাগামী ইএমইউ প্যাসেঞ্জারের সামনে চলে আসেন তাঁরা।

আসানসোল রেল ডিভিশন ডিআরএম চেতনানন্দ সিং জানান, তাঁরা ৩ সদস্যর টিম তৈরি করেছে। ভাগলপুর জামেশেদপুর এক্সপ্রেসটি কেন ওই জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে আসানসোল ঝাঝা ইএমইউ প্যাসেঞ্জারের চালকই বা কেন রেললাইনে উপর কোনও লোকজনকে দেখতে পেলেন না, সে প্রশ্নও উঠছে। যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে রেলের আশ্বাস। বৃহস্পতিবার সকালে রেলের তদন্ত কমিটি গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে। কথা বলেন, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে।

বৃহস্পতিবার এলাকায় যান জামতাড়ার এসডিও অনন্ত কুমার, জামতাড়া থানার কার্মাটাঁড় ফাঁড়ির আইসি বিবেকানন্দ দুবে। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি, ২ জন মারা গিয়েছেন। অথচ রটিয়ে দেওয়া হয়েছে ১২ জন মারা গিয়েছেন। রেলকে বদনামের চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন তিনি।

জামতাড়া সদর হাসপাতালে রাখা ছিল সুকেন্দ্রর দেহ। পরিবারের লোকেরা আসেন বৃহস্পতিবার। সুকেন্দ্রর দাদা নীতীশ কুমার জানান, পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তাঁর ভাই। বাড়িতে আসেন ছুটিতে। বেঙ্গালুরু যাচ্ছিলেন। ঝাঝা থেকে ট্রেনে ওঠেন বুধবার। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফোন আগে সব শেষ।

Follow Us